বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যাসহ সমাধান
কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ গ্রন্থ?
A মৃত্যুক্ষুধা
B সিন্ধু হিন্দোল
C যুগবাণী
D অগ্নিবীণা
উত্তর: যুগবাণী
ব্যাখ্যা: ‘ যুগবাণী’ কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬) প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ। ১৯২২ সালে গ্রন্হটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই এটি নিষিদ্ধ হয়। এটি নজরুলের সর্বপ্রথম নিষিদ্ধ গ্রন্হ। প্রবন্ধগুলোতে স্বদেশি চিন্তাচেতনা ও ব্রিটিশ বিরোধিতা প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্হের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ- নবযুগ, আবার তোরা মানুষ হ, ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ, ধর্মঘট, ভাব ও কাজ, বাংলা সাহিত্যে মুসলমান, জাগরণী, সত্য-শিক্ষা।
Question 2
পুঁথি সাহিত্যে প্রাচীনতম লেখক কে?
A ভারত চন্দ্র রায়
B কাজী দৌলত
C আবদুল হাকিম
D ফকির গরীবুল্লাহ
উত্তর: ফকির গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা: আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এবং উনিশ শতকের প্রথমার্ধে রচিত ‘আরবি-ফারসি’ শব্দ মিশ্রিত ইসলামি চেতনাসম্পৃক্ত এক ধরনের বিশেষ ভাষারীতিতে যে সমস্ত কাব্য রচিত হয়েছিল তা ‘পুঁথি সাহিত্য’ নামে পরিচিত। আরবি, ফারসি সহ কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথিকে ‘দোভাষী পুঁথি সাহিত্য’ বলা যায়। পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ্। তাঁর রচিত ‘আমীর হামজা’ জঙ্গনামা শ্রেণির কাব্য। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম: ইউসুফ-জোলেখা, আমীর হামজা (১ম অংশ), জঙ্গনামা, সোনাভান ও সত্যপীরের পুঁথি।
Question 3
আধুনিক বাংলা নাটক মূলত কয়টি পর্বে বিভক্ত?
A ৬টি
B ৪টি
C ৫টি
D ৭টি
উত্তর: ৫টি
ব্যাখ্যা: বাংলা নাটকে একটি কাহিনি যেভাবে অগ্রসর হয় তাকে ৫টি পর্বে বিভক্ত করা যায়। পর্বগুলো হলো- ১. কাহিনির আরম্ভ বা মুখ, ২. কাহিনির ক্রমব্যাপ্তি বা প্রতিমুখ, ৩. কাহিনির উৎকর্ষ বা চূড়ান্ত দ্বন্দ্ব, ৪. গ্রন্থিমোচন বা বিমর্ষ ও ৫. যবনিকাপাত বা উপসংহতি। অর্থাৎ একটি নাটক শুরু হওয়ার পর তার কাহিনির বিকাশ ঘটবে, বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে কাহিনিতে চূড়ান্ত দ্বন্দ্ব মুহূর্ত সৃষ্টি হবে। তারপর কোনো সত্য প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে নাটকটির চূড়ান্ত দ্বন্দ্ব পরিণতির দিকে যাবে এবং সবশেষে একটি পরিসমাপ্তি ঘটবে। উপর্যুক্ত ৫টি পর্যায়কে অবলম্বন করেই রচিত হয় পঞ্চাঙ্ক নাটক।
Question 4
জসীমউদ্দিনের ‘কবর’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
A তত্ত্ব-বোধিনী
B ধূমকেতু
C কালি ও কলম
D কল্লোল
উত্তর: কল্লোল
ব্যাখ্যা: ‘কবর’ কবিতাটি পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের ‘রাখালী’ (১৯২৭) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ‘কবর’ প্রথম প্রকাশিত হয় ‘কল্লোল’ পত্রিকায় ১৯২৫ সালে, তখন কবি বি.এ. ক্লাসে পড়তেন। তখনই কবিতাটি মাধ্যমিক পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়। কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। কবিতাটিতে ১১৮ টি লাইন রয়েছে। এই কবিতাটি শুধু প্রিয়জনদের জন্য শোক নিয়েই রচিত নয় বরং কবিতাটিতে গাঢ় বেদনা আর ভালোবাসার রঙে আঁকা বাংলার পল্লি জীবনের এক অসাধারণ প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
Question 5
কোনটি বাউল গানের বৈশিষ্ট্য?
A বীরত্বগাথা ও ভক্তিমূলক
B মানবিক আবেগ ও দৈনন্দিন জীবন
C আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান
D পল্লী জীবনের সুখ দুঃখ
উত্তর: আধ্যাত্মিক প্রেম ও অন্তর্গত অনুসন্ধান
ব্যাখ্যা: বাউল গান বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক গান। পরমাত্মা বা স্রষ্টার প্রতি গভীর ভালোবাসায় এই গানের সুর। বাউল গানের মধ্য দিয়েই বাউল সাধনার প্রকাশ এবং গানের মধ্য দিয়েই তাঁরা জীবনদর্শনকে প্রকাশ করেন। বাউলরা বিশ্বাস করেন যে, স্রষ্টা বাইরে কোথাও নেই; বরং মানুষের শরীরের ভিতরেই তাঁর বাস। বাউল গানের স্রষ্টা লালন শাহ। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া বাউল গানের কেন্দ্রভূমি; তবে পশ্চিমবঙ্গেও এটি প্রসার লাভ করেছে। বাউলগানকে এদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বড় উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০০৫ সালে একে ‘Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity’ হিসেবে ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে ‘Intangible Cultural Heritage of Humanity’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
Question 6
কিশোর পত্রিকা ‘বালক’ প্রতিষ্ঠা কার অমর কীর্তি?
A স্বর্ণকুমারী দেবী
B সেলিনা হোসেন
C আল মাহমুদ
D কাদম্বরী দেবী
উত্তর: স্বর্ণকুমারী দেবী
ব্যাখ্যা: জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ি থেকে ১২৯২ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে জ্ঞানদানন্দিনী দেবীর সম্পাদনায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কার্যাধ্যক্ষতায় মাসিক ‘বালক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এক বছর পর, ১২৯৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে (১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দ) এটি ‘ভারতী’ পত্রিকার সাথে একীভূত হয়, যার ফলে এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব ঘটেছিল। একীভূত হওয়ার পর এই নতুন পর্যায়ের নির্দিষ্ট সম্পাদকের নাম সরাসরি জানা না গেলেও ধারণা করা হয় তৎকালীন ভারতীর সম্পাদিকা স্বর্ণকুমারী দেবীই এর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন।
Question 7
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবি’ গ্রন্থটিতে কোন বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে?
A অসম ভালোবাসা
B আদিবাসীদের জীবন চিত্র
C ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী
D পঞ্চাশের মন্বন্তর
উত্তর: ডোম সম্প্রদায়ের জীবন কাহিনী
ব্যাখ্যা: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮৯৮-১৯৭১) জীবন ঘনিষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস হলো ‘কবি’। এ উপন্যাসে ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবিরূপে প্রতিষ্ঠার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র-নিতাইচরণ। ডোম সমাজের নীচু বংশে জন্মানো নিতাইচরণ পূর্ব পুরুষদের মতো চোর-ডাকাত না হয়ে কবি হয়ে গ্রামের লোকদের অবাক করে। সবাই বলাবলি শুরু করে ‘ডোমের ছেলে পোয়েট’! কবি নিতাইকে কেন্দ্র করেই এর কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যাসহ সমাধান
Question 8
কোন কবি মজলুম আদিব ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন?
A আল মাহমুদ
B হেলাল হাফিজ
C নির্মলেন্দু গুণ
D শামসুর রাহমান
উত্তর: শামসুর রহমান
ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬) পুরান ঢাকার মাহতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নাগরিক কবি হিসেবে খ্যাত। তাঁর ছদ্মনাম সিন্দবাদ, লিপিকার, জনান্তিকে, মৈনাক, মজলুম আদিব (১৯৭১ এ ‘দেশ’ পত্রিকায় এ নামে লিখতেন)। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, বন্দী শিবির থেকে, নিরালোকে দিব্যরথ, বিধ্বস্ত নীলিমা।
Question 9
মৈয়মনসিংহ গীতিকা কতটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?
A ২৩টি
B ২০টি
C ২২টি
D ২৫টি
উত্তর: ২৩টি
ব্যাখ্যা: বৃহত্তর ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জের বিল, হাওড় ও বিভ্ন্নি নদ-নদীপ্লাবিত বিস্তৃত ভাটি অঞ্চলে বাংলার শ্রেষ্ঠ গীতিকার যে শতদলগুলো বিকশিত হয়েছিল তা-ই ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নামে দেশ বিদেশের মনীষীগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ছিলেন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক। ড. দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যে-সব গীতিকা সংগৃহীত হয়েছিল তা ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নামে ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামে ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই গীতিকা সংগ্রহ করেছিলেন- চন্দ্রকুমার দে, জসীম উদ্দীন, আশুতোষ চৌধুরী, বিহারীলাল সরকার, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, মনোরঞ্জন চৌধুরী প্রমুখ। মৈমনসিংহ গীতিকা ২৩টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যাসহ সমাধান
Question 10
মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে ‘যাত্রা’ উপন্যাসটি লিখেছেন-
A শওকত ওসমান
B শহিদুল জহির
C শওকত আলী
D সেলিনা হোসেন
উত্তর: শওকত আলী
ব্যাখ্যা: শওকত আলী (১৯৩৬-২০১৮) একজন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষক। তিনি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে গল্প ও উপন্যাস লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘পিঙ্গল আকাশ’ এবং শেষ উপন্যাস ‘মাদারডাঙ্গার কথা’। ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ ইতিহাস ও ঐতিহ্য আশ্রিত উপন্যাস। ‘যাত্রা’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ‘নাঢ়াই’ উপন্যাসটি তেভাগা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত। ‘দক্ষিণায়নের দিন’, ‘কুলায় কালস্রোত’ এবং ‘পূর্বরাত্রি পূর্বদিন’ তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
Question 11
‘কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল’ -পদটির রচয়িতা কে?
A লুইপা
B ভুসুরুপা
C শবরপা
D কাহুপা
উত্তর: লুইপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা। ১ম পদটি হলো-
কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পইঠো কাল \
দিঢ় করিঅ মহাসুহ পরিমাণ।
লুই ভণই গুরু পুচ্ছিঅ জাণ \
অর্থ: শ্রেষ্ঠ তরু এই শরীর, পাঁচটি তার ডাল। চঞ্চল চিত্তে কাল প্রবেশ করে। চিত্তকে দৃঢ় করে মহাসুখ পরিমাণ কর। লুই বলেন, গুরুকে শুধিয়ে জেনে নাও। বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যাসহ সমাধান
Question 12
‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
A ১৯২০ সালে
B ১৯২৬ সালে
C ১৯২৫ সালে
D ১৯৩০ সালে
উত্তর: ১৯২৬ সালে
ব্যাখ্যা: ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে ‘সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়; যা পরবর্তীতে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এ পরিণত হয়। ঢাবির অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর, মুসলিম হলের ছাত্র এ এফ এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদিরসহ আরো কয়েকজন এই সংঘের পরিচালনার দায়িত্ব পালন করতেন। মুসলিম সাহিত্য-সমাজ ১২ বছর (১৯২৬-১৯৩৮) সক্রিয় ছিল।
Question 13
১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
A ইছামতি
B অশনি সংকেত
C আরণ্যক
D বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: ১৩৫০ বঙ্গাব্দের (ইংরেজি ১৯৪৩ সাল) ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ বা ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নিয়ে রচিত উপন্যাসটি হলো ‘অশনি সংকেত’। এই উপন্যাসের লেখক কালজয়ী কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪-১৯৫০)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন কৃত্রিম খাদ্যসংকটের ফলে গ্রাম বাংলায় যে চরম দুর্ভিক্ষ নেমে এসেছিল, তার মর্মস্পর্শী চিত্র এখানে অঙ্কিত হয়েছে। গ্রামের সহজ-সরল মানুষের জীবন কীভাবে অনাহারে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল, লেখক তা নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। ‘অনঙ্গবৌ’ নামে চরিত্রটি বাঙালির প্রতিদিনের সুখ-দুঃখময় সংসারে খুঁজে পাওয়া যায়। এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় ১৯৭৩ সালে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়। বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যাসহ সমাধান
