বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ একটি অনন্য ও যুগান্তকারী কাব্য। এটি মধ্যযুগের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত এবং বাংলা সাহিত্যকে প্রাচীন যুগ থেকে মধ্যযুগে প্রবেশ করানোর প্রধান সেতুবন্ধন। এই কাব্যের রচয়িতা হলেন মধ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস। প্রেম, মানবিক অনুভূতি, গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির সংমিশ্রণে রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ ও এর রচয়িতা
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। তিনি মধ্যযুগের আদি কবি হিসেবে পরিচিত। বড়ু চণ্ডীদাস সংস্কৃত কবি জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’ কাব্যের মূলভাব, লোকসমাজে প্রচলিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকথা এবং গ্রামবাংলার প্রচলিত পদাবলি অবলম্বনে এই কাব্য রচনা করেন।
এখানে লক্ষণীয় যে, ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নিছক পৌরাণিক কাহিনি নয়; বরং এতে লোকজ জীবনের বাস্তবতা, মানবিক প্রেম, সামাজিক সম্পর্ক ও গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার প্রতিফলন ঘটেছে। এই কারণেই কাব্যটি পাঠকের কাছে জীবন্ত ও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের আবিষ্কার ও প্রকাশ
দীর্ঘকাল ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই অমূল্য কাব্যটি ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে আবিষ্কৃত হয়। আবিষ্কারক ছিলেন বসন্তরঞ্জন রায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের অন্তর্গত কাঁকিল্যা গ্রামে এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘরের টিনের চালার নিচে অযত্নে রক্ষিত পুঁথি আকারে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ আবিষ্কার করেন।
পরবর্তীতে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটে।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচনাকাল বিতর্ক
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচনাকাল নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। পুঁথিতে প্রাপ্ত চিরকুট অনুযায়ী এটি ১০৮৯ কাব্যের এবং ১৬৮২ সালে বর্ণবিষ্ণুপুরের রাজগ্রন্থাগারে সংরক্ষিত ছিল বলে জানা যায়। তবে রচনাকাল নির্ধারণে বিভিন্ন গবেষকের মত ভিন্ন—
- ড. রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন, পুঁথিটি ১৩৫৮ সালের পূর্বে, সম্ভবত চতুর্দশ শতকের প্রথমার্ধে রচিত।
- ড. রাধাগোবিন্দ বসাকের মতে, এর লিখিতকাল ১৪৫০ থেকে ১৫০০ সালের মধ্যে।
- যোগেশচন্দ্রের মতে, ১৫০০ সালের পূর্বে এটি রচিত নয়।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ড. রাধাগোবিন্দ বসাকের মতকে সমর্থন করেছেন।
- ড. সুকুমার সেন মনে করেন, কাব্যটির লিখিতকাল অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এই পুঁথিটি কবির স্বহস্তলিখিত নয়; পরবর্তী এক বা একাধিক লিখিকারের লেখা। ফলে এর লিখিতকাল ও রচনাকালের মধ্যে পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের পরিচয় ও বিষয়বস্তু
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’কে দ্বিতীয় কাব্য বলা হলেও এটি মধ্যযুগের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। কাব্যটি মোট ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
এর বিষয়বস্তু দীর্ঘকাল ধরে লোকমুখে প্রচলিত গোপকাহিনি, পুরাণ এবং জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’-এর প্রভাবজাত। তবে কাব্যটি কেবল আধ্যাত্মিক নয়; এতে মানবিক প্রেম, বিরহ, সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। অনেক সমালোচক রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকে জীবাত্মা ও পরমাত্মার রূপক হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও, আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ছাড়াও এই কাব্যের রস আস্বাদন করা যায়।
গ্রামীণ জীবনের প্রতিফলন
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের জীবন্ত চিত্র পাওয়া যায়। এখানে গোয়ালনগা, কুমার, তেলিনী, নাপিত প্রভৃতি পেশাজীবী মানুষের উল্লেখ রয়েছে। যেমন—
“মোর মন পোহাইছে সেই কুমারের ধনী।”
বা—
“ঘরে বাহির হইতে তেলিনী তেল বিচিতে।”
এ ধরনের পঙক্তির মাধ্যমে গ্রামবাংলার দৈনন্দিন জীবন, চিন্তাভাবনা, পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক টানাপোড়েন স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। রাধা ও কৃষ্ণের তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়ে তৎকালীন গ্রামীণ পরিবারের মনস্তত্ত্বও প্রতিফলিত হয়েছে।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের খণ্ডসমূহ
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি মোট ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। খণ্ডগুলো হলো—
জন্ম খণ্ড, তাম্বুল খণ্ড, দান খণ্ড, দোহা খণ্ড, ছত্র খণ্ড, বৃত্তান্ত খণ্ড, কালীয়দমন খণ্ড, মন্থন খণ্ড, হার খণ্ড, রাম খণ্ড, বংশী খণ্ড ও রাধাবিরহ।
জন্ম খণ্ড
এই খণ্ডে কৃষ্ণ ও রাধার মানবজন্ম, তাঁদের পূর্বইচ্ছা অনুযায়ী অবতরণ এবং সামাজিক অবস্থান বর্ণিত হয়েছে। এখানে কৃষ্ণের গোপন দেবত্ব এবং রাধার বিবাহসংক্রান্ত বিষয়ও আলোচিত। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম কাব্য
রাধা চরিত্রের বৈশিষ্ট্য
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে প্রধান চরিত্র তিনটি—রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। এর মধ্যে রাধাই সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। রাধা চরিত্রের বিভিন্ন দিক এখানে রূপায়িত—
- কৃষ্ণের প্রতি প্রথমে বিরক্তি ও প্রতিবাদ
- সমাজসংস্কার ও পতিব্রতা ভাবনার টানাপোড়েন
- বাকপটু ও যুক্তিবাদী নারী
- প্রেমময়ী ও সমর্পিত নারী
- চতুর, কৌশলী ও মানবিক চরিত্র
রাধা চরিত্রে কোনো দুর্বৃত্তির লক্ষণ নেই; বরং তিনি মানবিক প্রেমের প্রতীক।
কৃষ্ণ ও বড়াই চরিত্র
কৃষ্ণ
পৌরাণিক কৃষ্ণ এখানে পরমাত্মা নন; বরং এক সুদর্শন রাখাল বালক। তাঁর মধ্যে প্রেম ও দৈহিক আকাঙ্ক্ষা স্পষ্টভাবে উপস্থিত। তিনি রাধার প্রেমিক হিসেবেই বেশি পরিচিত।
বড়াই
বড়াই হলেন রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের দূত। তিনি সখীস্বরূপ এবং প্রেমের সম্পর্ক স্থাপনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
কাব্যের আদিপুস্তক ও নামকরণ
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ পুঁথির মূল নাম পাওয়া যায়নি। পুঁথিতে কেবল ‘শ্রীকৃষ্ণসংক্রান্ত’ কথাটি উল্লেখ আছে। পুঁথি প্রকাশের সময় বসন্তরঞ্জন রায় নিজেই কাব্যটির নামকরণ করেন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’।
ভাষাগত বৈশিষ্ট্য
এই কাব্যের ভাষা লোকজ ও প্রাকৃত-অপভ্রংশ মিশ্রিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
- ‘অ’ ধ্বনির স্থলে ‘আ’ উচ্চারণ
- তৎসম শব্দের বানান রক্ষা
- প্রকৃত প্রত্যয়ের ব্যবহার
- ই-কারের পরিবর্তে রি-কার (কুমারি)
- বহুবচনে রা, রে, সবে ইত্যাদি অনুসর্গ
- নাম ধাতুর ব্যাপক ব্যবহার (ছড়িলা, মুক্তিলা) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম কাব্য
‘চণ্ডীদাস সমস্যা’
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বড় বিতর্ক হলো ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’। চণ্ডীদাস নামে চারজন কবির পরিচয় পাওয়া যায়—
বড়ু চণ্ডীদাস, দ্বিজ চণ্ডীদাস, দিন চণ্ডীদাস ও চণ্ডীদাস।
এরা পৃথক ব্যক্তি না কি একজনই বিভিন্ন নামে পরিচিত—এ প্রশ্নের এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। তবে গবেষকরা মোটামুটিভাবে বড়ু চণ্ডীদাসকেই ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
উপসংহার
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শুধু মধ্যযুগের প্রথম কাব্য নয়, বরং মানবিক প্রেম, গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির এক অমূল্য দলিল। বড়ু চণ্ডীদাসের এই কাব্য বাংলা কাব্যধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং পরবর্তী বৈষ্ণব সাহিত্যচর্চার ভিত্তি স্থাপন করেছে। তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ একটি অনিবার্য ও চিরস্মরণীয় নাম।
FAQ ১) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কেন মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বলা হয়?
কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনাকালীন প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ।
২) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা কে?
মধ্যযুগের আদি কবি বড়ু চণ্ডীদাস।
৩) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের মোট খণ্ড সংখ্যা কত?
মোট ১৩টি খণ্ড।
৪) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কোন সালে আবিষ্কৃত হয়?
১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে।
৫) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের আবিষ্কারক কে?
বসন্তরঞ্জন রায়।
৬) কাব্যটি কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়?
পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে।
৭) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি কবে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়?
১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
৮) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কোন সাহিত্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়?
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ।
৯) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের মূল বিষয়বস্তু কী?
রাধা–কৃষ্ণের প্রেম ও বিরহ।
১০) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কোন কাব্যের প্রভাবজাত?
সংস্কৃত কবি জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’ কাব্যের প্রভাবজাত।
১১) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কি আধ্যাত্মিক কাব্য?
না, এটি মানবিক ও লৌকিক প্রেমমূলক কাব্য, যদিও আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যাও সম্ভব।
১২) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র কয়টি?
প্রধান চরিত্র তিনটি—রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই।
১৩) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর প্রধান নারী চরিত্র কে?
রাধা।
১৪) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এ কৃষ্ণের চরিত্র কেমন?
কৃষ্ণ এখানে পরমাত্মা নয়, বরং এক মানবিক, সুদর্শন রাখাল যুবক।
১৫) বড়াই চরিত্রের ভূমিকা কী?
রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের দূত ও মধ্যস্থতাকারী।
১৬) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের ভাষার ধরন কেমন?
লোকজ, প্রাকৃত-অপভ্রংশ মিশ্রিত ভাষা।
১৭) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ পুঁথিটি কি কবির স্বহস্তলিখিত?
না, এটি পরবর্তী এক বা একাধিক লিখিকারের লেখা।
১৮) ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ কী?
চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবির অস্তিত্ব নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ককেই ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ বলা হয়।
১৯) ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’র সাথে জড়িত নামগুলো কী কী?
বড়ু চণ্ডীদাস, দ্বিজ চণ্ডীদাস, দিন চণ্ডীদাস ও চণ্ডীদাস।
২০) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ এটি মধ্যযুগের সূচনা, বৈষ্ণব সাহিত্যের ভিত্তি এবং গ্রামীণ জীবনের দলিল।
MCQ
১) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা—
A. জয়দেব
B. বড়ু চণ্ডীদাস
C. বিদ্যাপতি
D. চণ্ডীদাস
✅ উত্তর: B
২) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যের—
A. প্রথম কাব্য
B. দ্বিতীয় কাব্য
C. মধ্যযুগের প্রথম কাব্য
D. বৈষ্ণব যুগের শেষ কাব্য
✅ উত্তর: C
৩) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ আবিষ্কৃত হয়—
A. ১৮৯৯ সালে
B. ১৯০৯ সালে
C. ১৯১৬ সালে
D. ১৯২০ সালে
✅ উত্তর: B
৪) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ আবিষ্কার করেন—
A. দীনেশচন্দ্র সেন
B. রাধাগোবিন্দ বসাক
C. বসন্তরঞ্জন রায়
D. সুকুমার সেন
✅ উত্তর: C
৫) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়—
A. ১৯০৯
B. ১৯১২
C. ১৯১৬
D. ১৯২৫
✅ উত্তর: C
৬) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ প্রকাশিত হয়—
A. সাহিত্য সংসদ থেকে
B. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে
C. বাংলা একাডেমি থেকে
D. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
✅ উত্তর: B
৭) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের খণ্ড সংখ্যা—
A. ১০
B. ১১
C. ১২
D. ১৩
✅ উত্তর: D
৮) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর মূল উপজীব্য—
A. কৃষ্ণের বাল্যলীলা
B. কৃষ্ণের রাজ্যশাসন
C. রাধা-কৃষ্ণের প্রেম
D. কৃষ্ণের যুদ্ধজীবন
✅ উত্তর: C
৯) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে গ্রামীণ জীবনের চিত্র—
A. নেই
B. সামান্য
C. ব্যাপকভাবে রয়েছে
D. কেবল পৌরাণিক
✅ উত্তর: C
১০) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কোন ভাষার প্রভাবযুক্ত?
A. আরবি-ফারসি
B. সংস্কৃত ও লোকভাষা
C. উর্দু
D. ইংরেজি
✅ উত্তর: B
১১) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর প্রধান নারী চরিত্র—
A. যশোদা
B. রুক্মিণী
C. রাধা
D. চণ্ডী
✅ উত্তর: C
১২) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এ বড়াই চরিত্র—
A. নায়ক
B. খলনায়ক
C. দূত
D. রাজা
✅ উত্তর: C
১৩) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের ভাষা—
A. খাঁটি সংস্কৃত
B. আরবি-ফারসি
C. লোকজ ও প্রাকৃত
D. আধুনিক বাংলা
✅ উত্তর: C
১৪) ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ সম্পর্কিত—
A. ভাষা সমস্যা
B. চরিত্র সমস্যা
C. কবির পরিচয় সমস্যা
D. বিষয়বস্তু সমস্যা
✅ উত্তর: C
১৫) ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ এখন পর্যন্ত—
A. সম্পূর্ণ সমাধান হয়েছে
B. আংশিক সমাধান হয়েছে
C. সমাধান হয়নি
D. গুরুত্বহীন
✅ উত্তর: C
১৬) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ পুঁথিটি—
A. কবির স্বহস্তলিখিত
B. একাধিক লিখিকারের লেখা
C. মুদ্রিত কপি
D. রাজকীয় আদেশে লেখা
✅ উত্তর: B
১৭) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রাধা চরিত্র—
A. দেবীস্বরূপ
B. সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক
C. মানবিক ও প্রেমময়ী
D. নিষ্ক্রিয়
✅ উত্তর: C
১৮) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের সাহিত্যধারা—
A. মঙ্গলকাব্য
B. রোমান্টিক প্রেমকাব্য
C. বৈষ্ণব প্রেমকাব্য
D. নীতিকাব্য
✅ উত্তর: C
১৯) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যে—
A. প্রাচীন যুগের কাব্য
B. মধ্যযুগের প্রথম কাব্য
C. আধুনিক যুগের কাব্য
D. উত্তর-আধুনিক কাব্য
✅ উত্তর: B
২০) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—
A. ভাষার জন্য
B. ছন্দের জন্য
C. মধ্যযুগের সূচনার জন্য
D. পৌরাণিক কাহিনির জন্য
✅ উত্তর: C
